“একজন সৃজনশীল মানুষের ছোঁয়া আলফাডাঙ্গার বুক স্পর্শ না করলে হয়ত
আলফাডাঙ্গার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলো এতটা উজ্জ্বল হতো না।
আলফাডাঙ্গার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বাজত না নৃত্যের মৃদঙ্গ।”
আলফাডাঙ্গার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলো এতটা উজ্জ্বল হতো না।
আলফাডাঙ্গার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বাজত না নৃত্যের মৃদঙ্গ।”
উপরের এই দু-লাইন কথা সেই ছেলেটির নামের পাশেই শোভা পায়,নাম যার
“খন্দকার মুস্তাফিজুর রহমান রুবেল ”
“খন্দকার মুস্তাফিজুর রহমান রুবেল ”
আলফাডাঙ্গার স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবসের যে মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে আমাদের নজর কাড়ে,এই ডিসপ্লের অন্তরালের কারিগর আমাদের সবার প্রিয় রুবেল ভাই।
আজ আলফাডাঙ্গা পেজে আমরা উপস্থাপন করব আলফাডাঙ্গার মতো একটি ছোট্ট মফঃস্বল শহর থেকে একজন প্রতিভাবান নৃত্য শিল্পী রুবেল হয়ে ওঠার গল্প।
মুস্তাফিজুর রহমান রুবেল ১৯৮৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর যশোরে জন্মগ্রহন করেন ।বাবার চাকুরী সুবাদে যশোরে জন্মগ্রহন করলেও ছোটো বেলা থেকে শুরু করে শিক্ষা জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে আলফাডাঙ্গায়।
বাবা খন্দকার ওলিয়ার রহমান এবং মাতা মোছাম্মদ জামিরুন্নেছা।
চার ভাইয়ের মধ্যে তিনিই সবার ছোট ।
বাবা খন্দকার ওলিয়ার রহমান এবং মাতা মোছাম্মদ জামিরুন্নেছা।
চার ভাইয়ের মধ্যে তিনিই সবার ছোট ।
আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি (২০০৫) ,আলফাডাঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এইস এস সি(২০০৭ )এবং সরকারী রাজেন্দ্র কলেজ থেকে একাউন্টিং– য়ে অনার্স শেষ করে ঢাকা কলেজে প্রথম বিভাগ পেয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন ।
ছোট বেলা থেকেই একটু লাজুক স্বভাবের হলেও সময়ের স্রোতে নিজ প্রতিভা গুনে নিজেকে ঠিকই মেলে ধরেছেন । স্কুলে পড়াকালীন সময়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ডুব দিয়েছেন তিনি । নাচ ,কবিতা আবৃত্তি গান বা অভিনয় সব শাখাতেই কম বেশি পদচারনা ছিল তার। তবে নৃত্য তাকে বিশেষ ভাবে আকর্ষণ করেছে।
প্রথমদিকে নৃত্য বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করার সুযোগ হয় নি তবে টিভিতে দেখে দেখে নাচ প্রাকটিস করে আলফাডাঙ্গার কোন প্রাগ্রাম হলেই মঞ্চ মাতাতেন।আলফাডাঙ্গার সারেকুল হাসান নয়ন স্যার তার প্রথম অনুপ্রেরণার উৎস । কারণ তিনিই ছোট্ট রুবেলকে যে কোন অনুষ্ঠানে তাকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতেন।
শুরুটা হয়েছে ব্রান্ডের হিপ-হপ গানের নৃত্য দিয়ে। আলফাডাঙ্গায় রুবেল বন্ধুদের নিয়ে “ধুম গ্রুপ” নামে একটি নাচের গ্রুপ গড়ে তোলেন।এই গ্রুপটি তখন বেশ জনপ্রিয় ছিল ।
একটা সময়ে তিনি অনুভব করেন ব্রান্ডের গানে মঞ্চ মাতিয়ে দর্শককে খুশি করার চেয়েও নিজেকে নৃত্য কলায় প্রশিক্ষিত করাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।
কলেজ জীবনের শেষের দিকে আলফাডাঙ্গা কলেজের প্রভাষক প্রবীর স্যার ফরিদপুর থেকে হাসিবুজ্জামান হাসিব স্যার নামে একজন নৃত্য শিক্ষক আনেন। হাসিব স্যারের কাছেই ক্লাসিক্যাল নৃত্যের হাতে খড়ি হয় রুবেলের । প্রায় পাঁচ বছর প্রথম দিকে আলফাডাঙ্গায় এবং পরবর্তীতে ফরিদপুরে নাচ শিখতে থাকেন।
একটা সময়ে তিনি অনুভব করেন ব্রান্ডের গানে মঞ্চ মাতিয়ে দর্শককে খুশি করার চেয়েও নিজেকে নৃত্য কলায় প্রশিক্ষিত করাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।
কলেজ জীবনের শেষের দিকে আলফাডাঙ্গা কলেজের প্রভাষক প্রবীর স্যার ফরিদপুর থেকে হাসিবুজ্জামান হাসিব স্যার নামে একজন নৃত্য শিক্ষক আনেন। হাসিব স্যারের কাছেই ক্লাসিক্যাল নৃত্যের হাতে খড়ি হয় রুবেলের । প্রায় পাঁচ বছর প্রথম দিকে আলফাডাঙ্গায় এবং পরবর্তীতে ফরিদপুরে নাচ শিখতে থাকেন।
নাচ শেখার সময়েই তিনি ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলার স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসের ডিসপ্লে পরিচালনা করতে থাকেন ।
বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নৃত্য শিল্পী শিবলী মহম্মদের নিকট থেকে কথক নাচের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং বর্তমানে নৃত্য শিল্পী এম আর ওয়াসেফের নৃত্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাথেও জড়িত ।
বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নৃত্য শিল্পী শিবলী মহম্মদের নিকট থেকে কথক নাচের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং বর্তমানে নৃত্য শিল্পী এম আর ওয়াসেফের নৃত্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাথেও জড়িত ।
টেলিভিশনে নৃত্য পরিবেশনের প্রথম সুযোগ করে দেন হাসিবুজ্জামান হাসিব স্যার। প্রথম টিভিতে নৃত্য পরিবেশনের অনুভূতি ছিল অন্যরকম।এজন্য হাসিব স্যারের কাছে চির কৃতজ্ঞ তিনি ।পরবর্তীতে নৃত্য শিল্পী এম আর ওয়াসেফ স্যারের সহযোগিতায় কখনো একক অথবা কখনো দলীয়ভাবে এন টিভি ,আর টিভি ,এস এ টিভি ,চ্যানেল আই সহ বাংলাদেশের অনেক চ্যানেলে তিনি নৃত্য পরিবেশন করেছেন।এসময় বাংলাদেশের বড় বড় নৃত্যশিল্পীদের সাথেও নাচ করার সৌভাগ্য হয়েছে ।
বিটিভির সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবে দলীয় নৃত্যে অর্জন করেছেন জাতীয় পুরষ্কার।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নৃত্য প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন । এছাড়াও অংশগ্রহণ করেছেন এফ পি এ বি নাচের কম্পিটিশনে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নৃত্য প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন । এছাড়াও অংশগ্রহণ করেছেন এফ পি এ বি নাচের কম্পিটিশনে।
এ পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন শাখায় অবদানের জন্য ৫০ প্রায় টির মতো পুরস্কার ও সার্টিফিকেট রয়েছে রুবেলের ঝুলিতে ।
এত সব অর্জনের চেয়েও তিনি তার পরিবার , শিক্ষক শিক্ষিকা ,বন্ধু-বান্ধব এবং অগ্রজদের অনুপ্রেরণা ও ভালবাসাকেই বড় করে দেখেন ।
জীবনে পেশাদার নৃত্য শিল্পী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত হতে চান কিনা এই প্রশ্নের জবাবে অনেকটা মর্মাহত করেছেন আমাদের কারণ এত সব অর্জনের পরেও নিজেকে এই পেশায় দেখতে চান না তিনি ।
কারণ হিসাবে তিনি বলেন “এই পেশায় সরকারী কোন চাকুরীর সুযোগ নেই ,যতটুকু সুযোগ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় বা শিল্পকলা একাডেমীতে আছে তার সিংহভাগ পছন্দনীয় ব্যক্তিবর্গদের পছন্দের স্বজনদের জন্য বরাদ্দ থাকে।”
এত স্বপ্ন এত পরিশ্রম এত শিক্ষার যদি সঠিক মূল্যায়ন না হয় তবে সেই স্বপ্ন ,সেই পরিশ্রম বা সেই শিক্ষা অর্জন করাটাই বৃথা হয়ে যায় ।
এত সব অর্জনের চেয়েও তিনি তার পরিবার , শিক্ষক শিক্ষিকা ,বন্ধু-বান্ধব এবং অগ্রজদের অনুপ্রেরণা ও ভালবাসাকেই বড় করে দেখেন ।
জীবনে পেশাদার নৃত্য শিল্পী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত হতে চান কিনা এই প্রশ্নের জবাবে অনেকটা মর্মাহত করেছেন আমাদের কারণ এত সব অর্জনের পরেও নিজেকে এই পেশায় দেখতে চান না তিনি ।
কারণ হিসাবে তিনি বলেন “এই পেশায় সরকারী কোন চাকুরীর সুযোগ নেই ,যতটুকু সুযোগ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় বা শিল্পকলা একাডেমীতে আছে তার সিংহভাগ পছন্দনীয় ব্যক্তিবর্গদের পছন্দের স্বজনদের জন্য বরাদ্দ থাকে।”
এত স্বপ্ন এত পরিশ্রম এত শিক্ষার যদি সঠিক মূল্যায়ন না হয় তবে সেই স্বপ্ন ,সেই পরিশ্রম বা সেই শিক্ষা অর্জন করাটাই বৃথা হয়ে যায় ।
রুবেল ভাইয়ের প্রতি আমাদের একটাই চাওয়া, যে নৃত্যের ঝুমুর তালে তুমি নাচিয়েছ গোটা আলফাডাঙ্গার মাটিকে,আলফাডাঙ্গার প্লে গ্রাউন্ডে তুমি সাজিয়ে দেখিয়েছ অপরূপ ডিসপ্লে ।সেই মাটির সম্মান রাখতেই তোমাকে নৃত্যের মধ্যে থাকতে হবে ।আমাদের ভালোবাসা এবং দোয়া সব সময় তোমার পাশে থাকবে, তুমি অনেক বড় হও ভাইয়া। তোমার আলোয় উদ্ভাসিত হোক আলফাডাঙ্গার হাজার তরুণের স্বপ্ন ।
Admin of Alfadanga page
#Shuvongkar Shuvo
#Shuvongkar Shuvo

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন