বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৫

বাজড়া নীলকুঠি,আলফাডাঙ্গা,ফরিদপুর

নীল.........
দু অক্ষরের এই বিষয়টি আমরা জামা কাপড় উজ্জ্বল করার জন্য ব্যবহার করলেও আজ থেকে ২০০ বছর আগে আমাদের আলফাডাঙ্গার মানুষের জীবনে মোটেও উজ্জ্বল ছিল না এই নীলের রং ।কারণ এই নীল কে কেন্দ্র করেই আমাদের কৃষকদের অনেক নির্যাতন সইতে হয়েছে,অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে...... ঠিক এরকম একটি সংগ্রাম হয়েছিল বাজড়া নীল কুঠিতে.........
মরহুম শিক্ষক জনাব অলিয়ার রহমান স্যারের মতে, বাজড়া গ্রামের পূর্ব নাম ছিল বাজুনদিয়া। এক ধরণের ফল বাতাসে পেকে নিচে পড়লে ঝুন ঝুন করে শব্দ হত বলে এই গ্রামের নামকরন করা হয়েছিল বাজুনদিয়া।পরবর্তীতে বাজুনদিয়া রূপান্তরিত হয়ে হয়ে যায় বাজড়া।নীলকর এলেন ক্যাম্পবেল ডানলপ সাহেব মীরগঞ্জ নীলকুঠী স্থাপনের আগেই এই বাজড়া গ্রামে নীলকুঠি স্থাপন করেন।এই ডানলপ বাজড়া,পানাইল,গোপালপুর সহ অত্র এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।এই ডানলপের নির্যাতনে এলাকার মানুষ এক সময় প্রতিবাদী হয়ে ওঠে।বাজড়ার অদূরে কূলধর গ্রামের এক গৃহবধূকে ডানলপ বাজড়া নীলকুঠিতে নিয়ে আসে।এমনিতে ডানলপ কৃষকদের জোর করে নীল চাষে বাধ্য করাতো তারপর আবার কৃষকের সম্মানের উপর হাত দিয়েছে। তো এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই কৃষকেরা একত্রিত হয়ে বাজড়া নীলকুঠি আক্রমন করে।
জানা যায় জাহের খাঁ নামক এক বাক্তির রামদায়ের আঘাতে এই বাজড়া নীলকুঠিতে ১৮৪৮ সালের ২৫ অক্টোবর ডানলপ নিহত হন। এই জাহের খাঁ এর বাড়ি পানাইল নাকি গোপালপুর এ বিষয়ে দ্বিমত আছে।এই আক্রমনে ডানলপের সাথে ডানলপের ত্যাজী ঘোড়াও নিহত হয়। কোন কারণ বসত ঐদিন ডানলপের পাইক পেয়াদারা সংখ্যায় কম ছিল। তাছাড়া পাইক পেয়াদার সংখ্যা বেশি থেকেও লাভ হত না কারন বাংলার কৃষকেরা সংখ্যায় যেমন বেশি ছিল তেমনি তাদের হাতে ছিল দেশীয় অস্ত্র। তাইতো ইংরেজদের বন্দুকের গুলির আওয়াজকেও বাঙালি হার মানিয়েছিল।তবে ক্ষমা চাইলে হয়ত তিনি পরিত্রাণ পেতে পারতেন কিন্তু তা না করে তিনি বন্ধুক হাতে তেড়ে আসেন। ডানলপের মৃত্যুর পর যশোর থেকে ইংরেজদের বিশেষ বাহিনী এসে ডানলপের লাশ মীরগঞ্জে ডানলপের ছেলের সমাধির পাশে সমাধিস্থ করে রেখে যায়।এখনো মীরগঞ্জে এই সমাধির কিছু অংশের ধ্বংসাবশেষ টিকে আছে।
ইংরেজ বাহিনী কিছুদিন ডানলপ হত্যাকাণ্ড নিয়ে উঠে পরে লাগলেও দুর্গম এলাকা বলে তারা খুব বেশি সুবিধা পায় নি ।আর নারী অপহরণের মত একটা ঘৃণিত বিষয়ের সাথে স্কটল্যান্ডে জন্ম নেওয়া ডানলপ সাহেব জড়িত থাকার কারনে প্রশাসনও অতটা পদক্ষেপ নেয় নি বলে ধারনা করা হয় না হলে এত বড় একজন ইংরেজ নীলকরকে হত্যার অপরাধে বাঙ্গালীকে সইতে হত না জানি আরও কত অত্যাচার।
লেখক- ------------------------------ SK Shahadat Hossain
ছবি সংগ্রহ ও সম্পাদনায় Shuvongkar

বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০১৫

আলফাডাঙ্গার উপর নির্মিত কয়েকটি ভিডিওচিত্র

আলফাডাঙ্গার বারাংকুলা গ্রামের সাঁতার প্রতিযোগিতা

আলফাডাঙ্গা উপজেলার বারাসিয়া নদীর নৌকা বাইচ
আলফাডাঙ্গার বরভাগ গ্রামের বাবুই পাখির উপর নির্মিত তথ্যচিত্র

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বারাংকুলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে ডিসপ্লে দেশপাগল
আলফাডাঙ্গার দর্শনীয় স্থান ফলিয়া জমিদার বাড়ির উপর নির্মিত তথ্যচিত্র  

বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০১৫


আলফাডাঙ্গা পেজের জন্ম যেভাবে হয়.........................................


ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম।অথচ এই মাধ্যম টি তরুণ প্রজন্ম গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয়ের মাধ্যমে পরিণত করেছে। আমিও একটা সময় এই দলের সদস্য ছিলাম।তবে
ফেসবুকের ভাল কিছু বিষয় আমার নজর কাড়ল।চোখে পড়ল কিছু ফেসবুক পেজ যারা ফেসবুককে সমাজের মানুষের জন্য,দেশের জন্য,নিজ সংস্কৃতি বিকাশের জন্য কাজে লাগায়।
সেই থেকে অনুপ্রেরণা।
২০১২ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে আলফাডাঙ্গার ইতিহাস ঐতিহ্যকে পরিচিত করতে প্রতিষ্ঠা করি আলফাডাঙ্গা পেজ।ছোট্ট একটা নোকেয়া ৩০৫ মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহার করতাম।এই সেটে ভাল বাংলা লেখা যেত এবং ভাল ছবিও তোলা যেত।বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার পথে মীরগঞ্জ নীলকুঠীর সামনে দিয়ে যেতাম।প্রায় দিন ই নীলকর ডানলপ সাহেবের সমাধিটি দেখতাম আর ভাবতাম আমাদের আলফাডাঙ্গায় এরকম একটা ঐতিহ্য পরে আছে অথচ এর কোন গুরুত্ব নেই।একদিন চোখে পড়ল নাজমুল হক নজীরের আমাদের ফরিদপুর ১ অঞ্চল বইটি।সেখানে মীরগঞ্জ নীলকুঠী সম্পর্কে কিছুটা তথ্য পেলাম কিন্তু এই তথ্য খুবই সীমিত।আমি ওনার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলাম এবং মীরগঞ্জ নীলকুঠী নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে তথ্য সংগ্রহ শুরু করলাম।আমি এবং রবিন দুজনে মিলে শুরু করি এই তথ্য সংগ্রহের কাজ।আলফাডাঙ্গা কলেজের প্রভাষক আসলাম স্যার যুক্ত হলেন আমাদের সাথে।শুরুর থেকে তন্ময় ভাই আমাদের সহযোগিতা করে চলেছেন।
আমি,রবিন,রাজকুমার,রেজয়ান এবং সাহিদুল এই কজন আলফাডাঙ্গা ঘুরে অনুসন্ধান করতে থাকি আলফাডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান গুলি।এই তথ্য এবং ছবি পোষ্ট করি আলফাডাঙ্গা পেজে।
সেই থেকে শুরু এখন ২০১৫ সাল।আমাদের ফেসবুক বন্ধু সংখ্যা এক হাজার অতিক্রম করেছে।আমাদের বন্ধুদের মধ্যে আলফাডাঙ্গার বন্ধু সংখ্যাই বেশি।
আমাদের তথ্যসমৃদ্ধ লেখা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি এখন ভিডিও ধারনের কাজ চলছে।
আমাদের নির্মিত কিছু ভিডিও চিত্র
-বারাসিয়া নদীর নৌকা বাইচ।
-আলফাডাঙ্গার বড়ভাগ গ্রামের বিলুপ্তপ্রায় বাবুই পাখির উপর নির্মিত তথ্যচিত্র বাবুই পাখি।
-এছাড়াও নির্মিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ফলিয়া জমিদার বাড়ির উপর তথ্যচিত্র।
আমরা আলফাডাঙ্গা পেজ কে বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলার মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।যাতে আমাদের এই পেজ টি দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তাদের উপজেলা নিয়ে কাজ করে।
আমাদের এই পথচলা আলফাডাঙ্গাবাসীর হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
আশা করি সবাই আমাদের সাথে থাকবেন।
অ্যাডমিন
শুভঙ্কর পাল

কবি রত্ন এম.এ.হক

প্রতিভা বিকাশের জন্য অথবা প্রতিভা-পরিচিতির জন্য প্রতিভাবানের ভৌগোলিক অবস্থান হয়ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু সেটি একটি সাময়িক ব্যাপার। কারণ প্রতিভার কোনো দেশ-প্রদেশ-ভূগোল নেই। কবিরত্ন এম.এ.হক এর একটি প্রজ্বলন্ত উদাহরণ। তিনি ১৯২৯ সালের ১ জানুয়ারি সাবেক যশোর, বর্তমান ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার ব্যাংকেরচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।ভূগোলের বিবেচনায় নিঃসন্দেহে এটি প্রান্ত; যাকে বলে প্রত্যন্ত অঞ্চল। কিন্তু সেই প্রান্ত থেকেই তিনি কেন্দ্রের ভাবকে লালন করে, আবার প্রান্তের ভাবকে কেন্দ্রে তুলে ধরে কেন্দ্র ও প্রান্তের ভেদ ঘোচাতে চেষ্টা করেছেন। সাহিত্যিক, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী হিসেবে তিনি ফরিদপুর জেলায় স্বনামখ্যাত ছিলেন। কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমি থেকে ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করে তিনি খুলনা বি.এল. কলেজে ভর্তি হন। এই কলেজ থেকে ১৯৫০ সালে আই.এ. পাস করে একই কলেজে বি.এ. শ্রেণিতে ভর্তি হন। কিন্তু বি.এ. ডিগ্রি লাভের আগেই তিনি শিক্ষকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। নিজ এলাকায় তিনি যুক্তিবাদী, পণ্ডিত, শিক্ষানুরাগী এবং 'কবি সাহেব' নামে সমধিক পরিচিত। তিনি একাধিক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা। জীবনে বহুবার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এবং গুণীজন হিসেবে সংবর্ধিত হয়েছিলেন কবিরত্ন এম.এ. হক।

কবিরত্ন এম এ হক প্রান্তে থেকেই স্বীয় প্রতিভাবলে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন জসীমউদ্দীন এবং বিখ্যাত সনেটকার সুফী মোতাহের হোসেনের অত্যন্ত স্নেহভাজন। জসীমউদ্দীন এবং সুফী মোতাহের হোসেন ছিলেন তাঁর সাহিত্যের গুণমুগ্ধ পাঠক ও অনুপ্রেরণা দাতা। তাঁর কাব্য-প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে জসীমউদ্দীন ও সুফী মোতাহের হোসেন স্বেচ্ছা-প্রণোদিত হয়ে এম.এ.হকের 'এপার-ওপার' গ্রন্থটির ভূমিকা লিখে দেন। কবিরত্ন এম.এ.হকের সাহিত্য-প্রতিভা ছিল বহুমুখী। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক, ছড়াকার এবং গল্পকার। তাঁর রচিত নাতিদীর্ঘ গ্রন্থতালিকা থেকে তাঁর সাহিত্য-প্রতিভার বৈচিত্র্য অনুমান করা যেতে পারে— 'শুকতারা' (কাব্যগ্রন্থ), 'পথদিশারু' (কাব্যগ্রন্থ), 'এপার-ওপার' (লোকগানের সংকলন), 'কচি মনের খোরাক' (পাকিস্তান আমলে প্রাথমিক স্কুল পর্যায়ে দ্রুত পঠন হিসেবে যশোর শিক্ষাবোর্ডে পাঠ্য ছিল), 'দরেদ নবী' (ইসলামী গান), 'হক-বচন', 'ছন্দ-বন্ধ-বাগধারা' (গ্রন্থটিতে অপ্রচলিত এবং হারাতে বসা অসংখ্য বাগধারাকে তিনি সংকলিত করেন এবং স্কুল-ছাত্রছাত্রীদের উপযোগী করে ছন্দে বাক্য রচনা করেন), 'দেশের গান' (দেশাত্মবোধক গানের সংকলন), 'দাদুর ছড়া' (শিশু-সাহিত্য), 'স্মৃতিকথা' (মুনীর চৌধুরী, ডক্টর এনামুল হক, কবি শাহাদাত্ হোসেন, সৈয়দ আলী আহসান, বিজয় সরকার, কবি আশরাফ আলী খান প্রমুখের সঙ্গে কবির ব্যক্তিগত স্মৃতি নিয়ে রচিত), 'কাঙ্গাল পথিক' (কাব্যগ্রন্থ) এবং 'মুক্তির গান' (সুফি মতবাদী কবিতা)।

কবিরত্ন এম.এ.হক তাঁর সৃজনকর্মের মধ্যে লোকজীবনের অন্তরতলকে যেমন তাঁর সাহিত্যের উপজীব্য করেছিলেন, তেমনি আধুনিকতাকেও উপলব্ধির আওতায় আনতে পেরেছিলেন। ইসলামী গান, লোকগান, আধুনিক গান এবং কবিতার সফল পাশাপাশি অবস্থান তাঁর প্রতিভার বৈচিত্র্যকে করেছে প্রকাশিত। এম.এ.হকের কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে 'যশোর-সাহিত্য-সংঘ' তাঁকে 'কবিরত্ন' উপাধিতে ভূষিত করে। এছাড়া 'যশোরের লোক কবি', 'ফরিদপুরের কবি পরিচিতি' গ্রন্থে তাঁর কবিতা ও জীবনী গ্রন্থিত হয়েছে। প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ সম্পাদিত এবং সাবেক বাংলা উন্নয়ন বোর্ড থেকে প্রকাশিত 'বাংলাদেশের কবি পরিচিতি' গ্রন্থে কবিরত্নের নাতিদীর্ঘ জীবনী গ্রন্থিত হয়েছিল। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত 'চরিতাভিধান'-এ কবিরত্নের জীবন ও তাঁর কৃতিত্ব ভুক্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কবিরত্ন এম.এ.হক ২০০৬ সালের ১৩ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।

লেখক-কুদরত-ই হুদা মেহেদী
ইত্তেফাক পত্রিকা

সংগ্রহ ও ছবি সম্পাদনায়
Shuvongkar Shuvo
Admin of Alfadanga page

কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া রেলের জন্ম হয় যেভাবে..................

কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া রেল লাইনের উপর দিয়ে যখন রেল গাড়ির হুইসেল দিয়ে মাঠ প্রান্তর পার হয়ে ছুটে চলে।তখন মনটা আমাদের নেচে ওঠে.........
কিন্তু একটু আপসোস হয় আমাদের আলফাডাঙ্গার উপর দিয়ে যদি চলত এই রেল গাড়ি.........
যা হোক এটা গর্বের সাথে বলতে পারি এই রেল লাইন সৃষ্টি হয়েছিল আমাদের আলফাডাঙ্গার এক মাতৃভক্ত সন্তানের হাত ধরে............
এই মানুষটির নাম কে.বি রায়। কে.বি রায় ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের রেলের প্রধান প্রকৌশলী। তিনি জন্মগ্রহন করেন আলফাডাঙ্গার কৃষ্ণপুর গ্রামে।লেখাপড়া করে তিনি একদিন হয়ে ওঠেন রেলের প্রধান প্রকৌশলী। কে.বি রায়ের মা তীর্থ করতে ভারতে যান।তখন যোগাযোগ এততাই খারাপ ছিল যে বৃদ্ধ মায়ের আসতে কষ্ট হচ্ছিল।মায়ের কষ্ট ছেলের সেদিন সহ্য হয় নি।তাইত মায়ের কষ্ট লাঘবের জন্য নিলেন এক মহা পরিকল্পনা।কালুখালি থেকে ভাটিয়াপাড়া পর্যন্ত রেল লাইন বসানোর কাজ শুরু করেন।১৯৩০ সালে শুরু হওয়া কাজ শেষ হয় ১৯৩৫ সালে।১৯৩৫ সালে কেবি রায়ের মা রেলে চড়ে ভাটিয়াপাড়া এসে নামেন।ভাটিয়াপাড়া থেকে কৃষ্ণপুর এটুকু পথ তো আর বেশি নয় তাই এটুকু পথ মায়ের জন্য নৌকা এবং পালকি পাঠিয়েছিলেন।
মাঝে অনেক বছর বন্ধ থাকে রেল যোগাযোগ কিন্তু বর্তমানে স্বপ্নের রেল পথে এখন আবার চলছে আনন্দের রেলগাড়ি.............................................
আলফাডাঙ্গার কেবি রায় কে স্যালুট তার এই অবদানের জন্য............
তথ্যসূত্র-আনোয়ার হোসেন মোল্লা(কৃষ্ণপুর গ্রাম,আলফাডাঙ্গা,ফরিদপুর)

আলফাডাঙ্গায় নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মাটির সমন্বয়ে একটি মানচিত্র

আলফাডাঙ্গায় ৬৪ জেলার মাটি দিয়ে নির্মিতব্য মানচিত্রের বিভিন্ন জেলা থেকে মাটি সংগ্রহের কাজ এগিয়ে চলছে।সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে ৬ জেলার মাটি।এই ৬ জেলার মাটি দিয়েছেন আমাদের আলফাডাঙ্গা পেজের বন্ধু নূর মোহাম্মদ ভাই ।এজন্য ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মানচিত্রটি মাটি দিয়ে পরিপূর্ণ হলে এটা হবে বাংলাদেশের একটা রেকর্ড।কারন এর আগে এ রকম কোন পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।মূলত সারা বাংলাদেশকে এক সাথে স্পর্শ করার ইচ্ছা থেকেই এই মানচিত্রটি তৈরি করা।
মানচিত্রটি পরিপূর্ণ হলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী,একুশে বই মেলা,জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি সহ বিভিন্ন প্রোগ্রামে প্রদর্শন করা হবে।বন্ধুরা আপনারা বিভিন্ন জেলায় কর্মরত আছেন বা অনেক প্রয়জনেই যেয়ে থাকেন।একটু কষ্ট করে যদি দেশের প্রতি ভালবাসা থেকেই ২০০ বা ৩০০ গ্রাম মাটি নিয়ে আসেন।আবার ইচ্ছা করলে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিলেন। তাহলে আপনিও হয়ে যাবেন এই মানচিত্রের মাটি সংগ্রাহক।এই মানচিত্রের গায়ে একজন বাংলাদেশী হিসাবে আপনার নামটিও লেখা থাকবে।সেই সাথে বাস্তবায়ন হবে একটি বড় স্বপ্ন।
--------------------------------------------------যেসব জেলার মাটি সংগ্রহ করা হয়েছে সেই জেলা গুলির তালিকা দেওয়া হল--------- -------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

10. Brahmanbaria (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
1.মানিকগঞ্জ
9. Chittagong (চিটাগাং)
13. Dhaka (ঢাকা)
15. Faridpur (ফরিদপুর)
17. Gaibandha (গাইবান্ধা)
18. Gazipur (গাজীপুর)
19. Gopalganj (গোপালগঞ্জ)
20. Habiganj (হবিগঞ্জ)
23. Jessore (যশোর)
25. Jhinaidah (ঝিনাইদাহ)
33. Madaripur (মাদারীপুর)
34. Magura (মাগুরা)
36. Meherpur (মেহেরপুর)
37. Moulavibazar (মৌলভীবাজার)
52. Pirojpur (পিরোজপুর)
53. Rajbari (রাজবাড়ী )
1. Bogra (বগুড়া)
58. Shariyatpur (শরীয়তপুর)
60. Sirajgonj (সিরাজগঞ্জ)
57. Satkhira (সাতক্ষীরা)
49. Pabna (পাবনা)
43. Natore (নাটোর)
30. Kushtia (কুষ্টিয়া)
------------------------------------------------যে সব জেলার মাটি সংগ্রহ হয়নি এবং প্রয়োজন --------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
2. Bandarban (বান্দরবন)
3. Barguna (বরগুনা)
4. Barisal (বরিশাল)
5. Bagerhat (বাগেরহাট)
6. Bhola (ভোলা)
7. Brahmanbaria (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
8. Chandpur (চাঁদপুর)11. Comilla (কুমিল্লা)
12. Cox's Bazar (কক্সবাজার)
14. Dinajpur (দিনাজপুর
16. Feni (ফেনী)
20. Habiganj (হবিগঞ্জ)
21. Jaipurhat (জয়পুরহাট)
22. Jamalpur (জামালপুর)
26. Khagrachari (খাগড়াছড়ি)
27. Khulna (খুলনা)
29. Kurigram (কুড়িগ্রাম)
31. Lakshmipur (লক্ষ্মীপুর)
32. Lalmonirhat (লালমনিরহাট)
39. Mymensingh ( ময়মনসিংহ)
40. Naogaon (নওগাঁ)
41. Narayanganj (নারায়ণগঞ্জ)
44. Nawabgonj (নওয়াবগঞ্জ)
45. Netrokona (নেত্রকোনা)
46. Nilphamari (নীলফামারী)
মানচিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এই ভিডিও চিত্রে বর্ণনা করা আছে ...
https://www.facebook.com/alfadanga.page/videos/vob.100003772800203/620657188070036/?type=2&theater
আর মাটি প্রদানের জন্য ফোন করুন এই নাম্বারে(০১৭৬৭ ৪০৬২৯১-শুভঙ্কর )
আপনাদের সহযোগিতার অপেক্ষায় রইলাম ............