ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম।অথচ এই মাধ্যম টি তরুণ প্রজন্ম গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয়ের মাধ্যমে পরিণত করেছে। আমিও একটা সময় এই দলের সদস্য ছিলাম।তবে
ফেসবুকের ভাল কিছু বিষয় আমার নজর কাড়ল।চোখে পড়ল কিছু ফেসবুক পেজ যারা ফেসবুককে সমাজের মানুষের জন্য,দেশের জন্য,নিজ সংস্কৃতি বিকাশের জন্য কাজে লাগায়।
সেই থেকে অনুপ্রেরণা।
২০১২ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে আলফাডাঙ্গার ইতিহাস ঐতিহ্যকে পরিচিত করতে প্রতিষ্ঠা করি আলফাডাঙ্গা পেজ।ছোট্ট একটা নোকেয়া ৩০৫ মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহার করতাম।এই সেটে ভাল বাংলা লেখা যেত এবং ভাল ছবিও তোলা যেত।বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার পথে মীরগঞ্জ নীলকুঠীর সামনে দিয়ে যেতাম।প্রায় দিন ই নীলকর ডানলপ সাহেবের সমাধিটি দেখতাম আর ভাবতাম আমাদের আলফাডাঙ্গায় এরকম একটা ঐতিহ্য পরে আছে অথচ এর কোন গুরুত্ব নেই।একদিন চোখে পড়ল নাজমুল হক নজীরের আমাদের ফরিদপুর ১ অঞ্চল বইটি।সেখানে মীরগঞ্জ নীলকুঠী সম্পর্কে কিছুটা তথ্য পেলাম কিন্তু এই তথ্য খুবই সীমিত।আমি ওনার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলাম এবং মীরগঞ্জ নীলকুঠী নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে তথ্য সংগ্রহ শুরু করলাম।আমি এবং রবিন দুজনে মিলে শুরু করি এই তথ্য সংগ্রহের কাজ।আলফাডাঙ্গা কলেজের প্রভাষক আসলাম স্যার যুক্ত হলেন আমাদের সাথে।শুরুর থেকে তন্ময় ভাই আমাদের সহযোগিতা করে চলেছেন।
আমি,রবিন,রাজকুমার,রেজয়ান এবং সাহিদুল এই কজন আলফাডাঙ্গা ঘুরে অনুসন্ধান করতে থাকি আলফাডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান গুলি।এই তথ্য এবং ছবি পোষ্ট করি আলফাডাঙ্গা পেজে।
সেই থেকে শুরু এখন ২০১৫ সাল।আমাদের ফেসবুক বন্ধু সংখ্যা এক হাজার অতিক্রম করেছে।আমাদের বন্ধুদের মধ্যে আলফাডাঙ্গার বন্ধু সংখ্যাই বেশি।
আমাদের তথ্যসমৃদ্ধ লেখা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি এখন ভিডিও ধারনের কাজ চলছে।
আমাদের নির্মিত কিছু ভিডিও চিত্র
-বারাসিয়া নদীর নৌকা বাইচ।
-আলফাডাঙ্গার বড়ভাগ গ্রামের বিলুপ্তপ্রায় বাবুই পাখির উপর নির্মিত তথ্যচিত্র বাবুই পাখি।
-এছাড়াও নির্মিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ফলিয়া জমিদার বাড়ির উপর তথ্যচিত্র।
আমরা আলফাডাঙ্গা পেজ কে বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলার মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।যাতে আমাদের এই পেজ টি দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তাদের উপজেলা নিয়ে কাজ করে।
আমাদের এই পথচলা আলফাডাঙ্গাবাসীর হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
আশা করি সবাই আমাদের সাথে থাকবেন।
অ্যাডমিন
শুভঙ্কর পাল
ফেসবুকের ভাল কিছু বিষয় আমার নজর কাড়ল।চোখে পড়ল কিছু ফেসবুক পেজ যারা ফেসবুককে সমাজের মানুষের জন্য,দেশের জন্য,নিজ সংস্কৃতি বিকাশের জন্য কাজে লাগায়।
সেই থেকে অনুপ্রেরণা।
২০১২ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে আলফাডাঙ্গার ইতিহাস ঐতিহ্যকে পরিচিত করতে প্রতিষ্ঠা করি আলফাডাঙ্গা পেজ।ছোট্ট একটা নোকেয়া ৩০৫ মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহার করতাম।এই সেটে ভাল বাংলা লেখা যেত এবং ভাল ছবিও তোলা যেত।বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার পথে মীরগঞ্জ নীলকুঠীর সামনে দিয়ে যেতাম।প্রায় দিন ই নীলকর ডানলপ সাহেবের সমাধিটি দেখতাম আর ভাবতাম আমাদের আলফাডাঙ্গায় এরকম একটা ঐতিহ্য পরে আছে অথচ এর কোন গুরুত্ব নেই।একদিন চোখে পড়ল নাজমুল হক নজীরের আমাদের ফরিদপুর ১ অঞ্চল বইটি।সেখানে মীরগঞ্জ নীলকুঠী সম্পর্কে কিছুটা তথ্য পেলাম কিন্তু এই তথ্য খুবই সীমিত।আমি ওনার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলাম এবং মীরগঞ্জ নীলকুঠী নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে তথ্য সংগ্রহ শুরু করলাম।আমি এবং রবিন দুজনে মিলে শুরু করি এই তথ্য সংগ্রহের কাজ।আলফাডাঙ্গা কলেজের প্রভাষক আসলাম স্যার যুক্ত হলেন আমাদের সাথে।শুরুর থেকে তন্ময় ভাই আমাদের সহযোগিতা করে চলেছেন।
আমি,রবিন,রাজকুমার,রেজয়ান এবং সাহিদুল এই কজন আলফাডাঙ্গা ঘুরে অনুসন্ধান করতে থাকি আলফাডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান গুলি।এই তথ্য এবং ছবি পোষ্ট করি আলফাডাঙ্গা পেজে।
সেই থেকে শুরু এখন ২০১৫ সাল।আমাদের ফেসবুক বন্ধু সংখ্যা এক হাজার অতিক্রম করেছে।আমাদের বন্ধুদের মধ্যে আলফাডাঙ্গার বন্ধু সংখ্যাই বেশি।
আমাদের তথ্যসমৃদ্ধ লেখা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি এখন ভিডিও ধারনের কাজ চলছে।
আমাদের নির্মিত কিছু ভিডিও চিত্র
-বারাসিয়া নদীর নৌকা বাইচ।
-আলফাডাঙ্গার বড়ভাগ গ্রামের বিলুপ্তপ্রায় বাবুই পাখির উপর নির্মিত তথ্যচিত্র বাবুই পাখি।
-এছাড়াও নির্মিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ফলিয়া জমিদার বাড়ির উপর তথ্যচিত্র।
আমরা আলফাডাঙ্গা পেজ কে বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলার মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।যাতে আমাদের এই পেজ টি দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তাদের উপজেলা নিয়ে কাজ করে।
আমাদের এই পথচলা আলফাডাঙ্গাবাসীর হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
আশা করি সবাই আমাদের সাথে থাকবেন।
অ্যাডমিন
শুভঙ্কর পাল

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন