কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া রেল লাইনের উপর দিয়ে যখন রেল গাড়ির হুইসেল দিয়ে মাঠ প্রান্তর পার হয়ে ছুটে চলে।তখন মনটা আমাদের নেচে ওঠে.........
কিন্তু একটু আপসোস হয় আমাদের আলফাডাঙ্গার উপর দিয়ে যদি চলত এই রেল গাড়ি.........
যা হোক এটা গর্বের সাথে বলতে পারি এই রেল লাইন সৃষ্টি হয়েছিল আমাদের আলফাডাঙ্গার এক মাতৃভক্ত সন্তানের হাত ধরে............
কিন্তু একটু আপসোস হয় আমাদের আলফাডাঙ্গার উপর দিয়ে যদি চলত এই রেল গাড়ি.........
যা হোক এটা গর্বের সাথে বলতে পারি এই রেল লাইন সৃষ্টি হয়েছিল আমাদের আলফাডাঙ্গার এক মাতৃভক্ত সন্তানের হাত ধরে............
এই মানুষটির নাম কে.বি রায়। কে.বি রায় ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের রেলের প্রধান প্রকৌশলী। তিনি জন্মগ্রহন করেন আলফাডাঙ্গার কৃষ্ণপুর গ্রামে।লেখাপড়া করে তিনি একদিন হয়ে ওঠেন রেলের প্রধান প্রকৌশলী। কে.বি রায়ের মা তীর্থ করতে ভারতে যান।তখন যোগাযোগ এততাই খারাপ ছিল যে বৃদ্ধ মায়ের আসতে কষ্ট হচ্ছিল।মায়ের কষ্ট ছেলের সেদিন সহ্য হয় নি।তাইত মায়ের কষ্ট লাঘবের জন্য নিলেন এক মহা পরিকল্পনা।কালুখালি থেকে ভাটিয়াপাড়া পর্যন্ত রেল লাইন বসানোর কাজ শুরু করেন।১৯৩০ সালে শুরু হওয়া কাজ শেষ হয় ১৯৩৫ সালে।১৯৩৫ সালে কেবি রায়ের মা রেলে চড়ে ভাটিয়াপাড়া এসে নামেন।ভাটিয়াপাড়া থেকে কৃষ্ণপুর এটুকু পথ তো আর বেশি নয় তাই এটুকু পথ মায়ের জন্য নৌকা এবং পালকি পাঠিয়েছিলেন।
মাঝে অনেক বছর বন্ধ থাকে রেল যোগাযোগ কিন্তু বর্তমানে স্বপ্নের রেল পথে এখন আবার চলছে আনন্দের রেলগাড়ি.............................................
আলফাডাঙ্গার কেবি রায় কে স্যালুট তার এই অবদানের জন্য............
আলফাডাঙ্গার কেবি রায় কে স্যালুট তার এই অবদানের জন্য............
তথ্যসূত্র-আনোয়ার হোসেন মোল্লা(কৃষ্ণপুর গ্রাম,আলফাডাঙ্গা,ফরিদপুর)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন